আপিল
(১) কোনো ব্যক্তি, শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের উদ্যোক্তা আইন বা এই বিধিমালার অধীন প্রদত্ত কোনো নোটিশ, আদেশ বা নির্দেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি উক্ত নোটিশ, আদেশ বা নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেন নাই এইরূপ কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের উদ্যোক্তা আপিল দায়ের করিতে পারিবেন না।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত আপিলের সহিত নিম্নবর্ণিত কাগজাদি দাখিল করিতে হইবে, যথা:—
(ক) যে নোটিশ, আদেশ বা নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হইয়াছে উহার সত্যায়িত অনুলিপি;
(খ) হালনাগাদ পরিবেশগত ছাড়পত্রের অনুলিপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে;
(গ) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে আপিল ফি বাবদ ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা জমা প্রদানের প্রমাণক;
(ঘ) আইনের ধারা ৭ এর অধীন ধার্যকৃত ক্ষতিপূরণের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইলে ধার্যকৃত অর্থের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা প্রদান করিতে হইবে; এবং
(ঙ) নোটিশ, আদেশ বা নির্দেশ অনুযায়ী দূষণ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ রহিয়াছে মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামা।
তথ্যসূত্র: পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ — এস, আর, ও নম্বর ৫৩/আইন/২০২৩, তারিখ ২ মার্চ ২০২৩; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ৫ মার্চ ২০২৩, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ১৭। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।
এই বিধিতে উল্লিখিত বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ধারা: ধারা ৭