নিম্নতম মজুরী বোর্ড প্রতিষ্ঠা
আইনের টেক্সট
১৩৮। (১) সরকার নিম্নতম মজুরী বোর্ড নামে একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) নিম্নতম মজুরী বোর্ড, অতঃপর এই অধ্যায়ে মজুরী বোর্ড বলিয়া উলিস্নখিত, নিম্নরূপ সদস্য-সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ-
(ক) চেয়ারম্যান;
(খ) একজন নিরপেৰ সদস্য;
(গ) মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য; এবং
(ঘ) শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য।
(৩) ধারা ১৩৯ এ উলিস্নখিত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে, মজুরী বোর্ডে নিম্নলিখিত সদস্যদ্বয়ও অনত্দর্ভুক্ত হইবেন, যথাঃ-
(ক) সংশিস্নষ্ট শিল্পের মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য;
(খ) সংশিস্নষ্ট শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য।
(৪) মজুরী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(৫) মজুরী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নিরপেৰ সদস্য এমন ব্যক্তিগণের মধ্যে হইতে নিযুক্ত হইবেন যাহাদের শিল্প শ্রমিক ও দেশের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে, এবং যাহারা কোন শিল্পের সহিত সংশিস্নষ্ট নহেন অথবা কোন শ্রমিক বা মালিকগণের ট্রেড ইউনিয়নের সহিত সংযুক্ত নহেন।
(৬) সরকারের মতে, যে সকল প্রতিষ্ঠান মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী এবং যে সকল প্রতিষ্ঠান শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সে সকল প্রতিষ্ঠানের কোন মনোনয়ন থাকিলে উহা বিবেচনা করিয়া উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীন মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্যগণকে নিযুক্ত করা হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যদি একাধিক প্রচেষ্টায় মালিক কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনয়ন না পাওয়া যায় তাহা হইলে সরকার, নিজ বিবেচনায়, যাহাকে উপযুক্ত মনে করিবে তাহাকেই মালিক কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য হিসাবে নিযুক্ত করিতে পারিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১৩৮ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
মজুরি বোর্ডে মালিক ও শ্রমিকগণের প্রতিনিধি মনোনয়ন
(১) সরকার ধারা ১৩৮(৬) বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে উক্ত ধারার উপ-ধারা (২) মোতাবেক মজুরি বোর্ডে মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও শ্রমিকগণের প্রতিনিধি মনোনয়নের লক্ষ্যে মালিক ও শ্রমিকগণের ফেডারেশনসমূহে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের নিকট হইতে এবং উপ-ধারা (৩) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী মালিক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের অথবা ফেডারেশনের অবর্তমানে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন মনোনয়ন যাচনা করিবার ক্ষেত্রে শ্রম পরিচালকের রেকর্ড অনুযায়ী ফেডারেশনের সদস্যপদ বিবেচনায় লইতে হইবে।
(৩) উভয় ক্ষেত্রেই শ্রম পরিচালকের মাধ্যমে মনোনয়ন যাচনা করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিল্পের প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে যদি উক্ত শিল্পে কোন রেজিস্টার্র্ড ইউনিয়ন না থাকে, সেইক্ষেত্রে শ্রম পরিচালক জাতীয় ফেডারেশনসমূহের মধ্য হইতে উক্ত শিল্পের সহিত সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে এইরকম সংগঠনের নিকট প্রতিনিধির মনোনয়ন যাচনা করিবেন এবং এইরকম সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে সরকার নিজ বিবেচনায় শ্রমিক ও মালিক পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করিতে পারে এমন ব্যক্তিদেরকে উক্ত শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করিবে।
(৪) যদি কোন কারণে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন প্রতিনিধি মনোনয়ন প্রদান না করে তাহা হইলে সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনসমূহের নিকট মনোনয়ন যাচনা করিতে পারিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ ধারা ৬৫ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১৩৮ · নিম্নতম মজুরী বোর্ড প্রতিষ্ঠা
১৩৮। (১) সরকার নিম্নতম মজুরী বোর্ড নামে একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) নিম্নতম মজুরী বোর্ড, অতঃপর এই অধ্যায়ে মজুরী বোর্ড বলিয়া উলিস্নখিত, নিম্নরূপ সদস্য-সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ-
(ক) চেয়ারম্যান;
(খ) একজন নিরপেৰ সদস্য;
(গ) মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য; এবং
(ঘ) শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য।
(৩) ধারা ১৩৯ এ উলিস্নখিত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে, মজুরী বোর্ডে নিম্নলিখিত সদস্যদ্বয়ও অনত্দর্ভুক্ত হইবেন, যথাঃ-
(ক) সংশিস্নষ্ট শিল্পের মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য;
(খ) সংশিস্নষ্ট শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্য।
(৪) মজুরী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(৫) মজুরী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নিরপেৰ সদস্য এমন ব্যক্তিগণের মধ্যে হইতে নিযুক্ত হইবেন যাহাদের শিল্প শ্রমিক ও দেশের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে, এবং যাহারা কোন শিল্পের সহিত সংশিস্নষ্ট নহেন অথবা কোন শ্রমিক বা মালিকগণের ট্রেড ইউনিয়নের সহিত সংযুক্ত নহেন।
(৬) সরকারের মতে, যে সকল প্রতিষ্ঠান মালিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী এবং যে সকল প্রতিষ্ঠান শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সে সকল প্রতিষ্ঠানের কোন মনোনয়ন থাকিলে উহা বিবেচনা করিয়া উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীন মালিক এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্যগণকে নিযুক্ত করা হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যদি একাধিক প্রচেষ্টায় মালিক কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনয়ন না পাওয়া যায় তাহা হইলে সরকার, নিজ বিবেচনায়, যাহাকে উপযুক্ত মনে করিবে তাহাকেই মালিক কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য হিসাবে নিযুক্ত করিতে পারিবে।
EPZ ধারা ৬৫ · নিম্নতম মজুরি বোর্ড প্রতিষ্ঠা
৬৫। (১) সরকার শ্রমিকগণের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ইপিজেড নিম্নতম মজুরি বোর্ড, অতঃপর এই অধ্যায়ে মজুরি বোর্ড বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) নির্বাহী চেয়ারম্যান অথবা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন ব্যক্তি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) কর্তৃপক্ষের ১ (এক) জন সদস্য;
(গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১ (এক) জন প্রতিনিধি;
(ঘ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ১ (এক) জন প্রতিনিধি;
(ঙ) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১ (এক) জন প্রতিনিধি;
(চ) কর্তৃপক্ষের ২ (দুই) জন প্রতিনিধি;
(ছ) মালিক পক্ষের ২ (দুই) জন প্রতিনিধি;
(জ) শ্রমিক পক্ষের ২ (দুই) জন প্রতিনিধি।
(২) কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (১) এর দফা (ছ) ও (জ) এর অধীন যথাক্রমে, মালিকগণের এবং শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্যগণকে মনোনয়ন করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি একাধিক প্রচেষ্টায় মালিক কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনয়ন না পাওয়া যায় তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ নিজ বিবেচনায়, যাহাকে উপযুক্ত মনে করিবে তাহাকেই মালিক বা শ্রমিক প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য হিসাবে মনোনীত করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ড প্রয়োজনবোধে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্যকে কো-অপ্ট করিতে পারিবে।
(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার, প্রয়োজনে, মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করিতে পারিবে।