RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৩১৯

প্রধান পরিদর্শক, ইত্যাদির ক্ষমতা ও দায়িত্ব

২০২৬ সালে সংশোধিত২টি বিধি

আইনের টেক্সট

৩১৯৷ (১) এই আইনের উদ্দেশ্যে, প্রধান পরিদর্শক বা কোন উপ-প্রধান পরিদর্শক, ১[সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক বা সহকারী পরিদর্শকের], তাহাদের এখতিয়ারাধীন এলাকায়, নিম্নরূপ ক্ষমতা বা দায়িত্ব থাকিবে, যথাঃ-

২[(ক) প্রয়োজনীয় সহকারী সহকারে, তাহার বিবেচনায় কোনো প্রতিষ্ঠান হিসাবে গণ্য বা ব্যবহৃত কোনো স্থান, আঙ্গিনা, নৌযান বা যানবাহনে যে কোনো যুক্তিসংগত সময়ে ‘কর্তৃপক্ষকে আগাম অবহিত করিয়া কিংবা অবহিতকরণ ব্যতিরেকে’ মানসম্পন্ন (Operating Procedure) অনুসারে প্রবেশ, পরিদর্শন, তদন্ত এবং পরীক্ষাকার্য পরিচালনা;]

(খ) এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীম মোতাবেক রক্ষিত কোন রেজিস্টার, রেকর্ড, নথিপত্র, নোটিশ, প্রত্যয়নপত্র বা অন্য কোন দলিল-দস্তাবেজ তলব করা, এবং ইহা আটক, পরিদর্শন বা পরীক্ষা করা বা ইহার নকল করা;

(গ) কোন প্রতিষ্ঠান বা উহাতে নিযুক্ত কোন শ্রমিক সম্পর্কে এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীমের কোন বিধান যথাযথভাবে মানা হইতেছে কিনা ইহা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান বা পরীক্ষণ;

(ঘ) কোন প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গিয়াছে বা কোন প্রতিষ্ঠানে অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই মাসের মধ্যে চাকুরীতে নিযুক্ত ছিলেন বা আছেন বলিয়া বিশ্বাস এরূপ কোন লোকের এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীম সম্পর্কিত কোন বিষয়ে জবানবন্দী গ্রহণ;

(ঙ) জবানবন্দী বা পরীক্ষা গ্রহণ করা হইয়াছে এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট হইতে সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য জবানবন্দী বা পরীক্ষা সংক্রান্ত রেকর্ড বা কাগজপত্রে স্বাক্ষর গ্রহণ;

(চ) প্রয়োজন হইলে কোন মালিক কর্তৃক রক্ষিত কোন রেজিস্টার, রেকর্ড, প্রত্যয়নপত্র, নোটিশ বা অন্য কোন দলিল-দস্তাবেজ সম্বন্ধে তাহার বা তত্কর্তৃক নিযুক্ত কোন ব্যক্তির নিকট হইতে কৈফিয়ত্ বা ব্যাখ্যা তলব করা; ৩[***]

(ছ) এই আইন বা কোন বিধি দ্বারা আরোপিত অন্য কোন ক্ষমতা প্রয়োগ বা দায়িত্ব সম্পাদন ৪[;]

৫[(জ) পরিদর্শন কার্য সুচারুরূপে সম্পন্ন করিবার নিমিত্ত সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক মানসম্পন্ন পরিচালনা পদ্ধতি (Standard Operating Procedure) প্রণয়ন করিতে পারিবে।]

(২) এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীমের অধীন ক্ষমতা প্রয়োগ বা দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় কোন প্রবেশ, পরিদর্শন, পরীক্ষণ, অনুসন্ধান বা অন্য কোন কাজ করার জন্য সকল পন্থা বা ব্যবস্থা পরিদর্শকের তলব অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানের মালিককে করিতে হইবে৷

(৩) প্রত্যেক মালিককে এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীমের উদ্দেশ্যে, সকল রেকর্ড, রেজিস্টার, এবং অন্য কোন দলিল-দস্তাবেজ পরীক্ষার জন্য পরিদর্শকের নিকট তাহার তলব অনুযায়ী হাজির করিতে হইবে, এবং উক্ত পরিদর্শকের চাহিদা অনুযায়ী তত্সম্পর্কে অন্য কোন তথ্যও সরবরাহ করিতে হইবে৷

(৪) এই আইন বা কোন বিধি, প্রবিধান বা স্কীমের প্রয়োগ সংক্রান্ত কোন ব্যাপারে ইহার অধীন দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে কোন পরিদর্শক কোন মালিকের নিকট হইতে কোন রেকর্ড, রেজিস্টার, বা অন্য কোন দলিল-দস্তাবেজ তলব করিতে এবং ইহা আটক করিতে পারিবেন৷

৬[(৫) মহাপরিদর্শক, অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত তাহার অধঃস্তন কোনো কর্মকর্তা, এই আইন বা কোনো বিধি, প্রবিধান বা স্কীমের অধীন, তাহার এখতিয়ারাধীন কোনো বিষয়ে, কোনো অপরাধের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে অভিযোগ পেশ করিতে পারিবেন।

(৫ক) ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইনের লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ, তদারকি এবং শ্রম আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অভিন্ন অনুসরণীয় পদ্ধতি নিশ্চিতকরণে সরকার মানসম্পন্ন পরিচালনা পদ্ধতি (Standard Operating Procedure) প্রণয়ন করিবে।]

৭[***]

সংশোধনী টীকা (৭)
  1. ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক এবং সহকারী পরিদর্শকের’’শব্দগুলি ও কমা ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক এবং পরিদর্শকের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮২(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  2. দফা (ক) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭৮(ক)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  3. “এবং” শব্দটি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭৮(ক)(আ) ধারাবলে বিলুপ্ত।
  4. সেমিকোলন (;) চিহ্ন দাড়ি (।) চিহ্নের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭৮(ক)(ই) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  5. দফা (জ) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭৮(ক)(ই) ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  6. উপ-ধারা (৫) এবং (৫ক) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর এর ৭৮(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  7. উপ-ধারা (৬) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭৮(গ) ধারাবলে বিলুপ্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৩১৯ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ১০

লাইসেন্স ফি, নবায়ন ফি, ইত্যাদি নির্ধারণ

(১) মহাপরিদর্শক লাইসেন্স প্রদানের আবেদন মঞ্জুর করিলে উক্ত মঞ্জুরের তারিখ হইতে ১০ (দশ) কর্র্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত পরিমাণ লাইসেন্স ফি জমা প্রদান করিতে হইবে।

(২) লাইসেন্স নবায়নের জন্য বিধি ৩৫৫(৩) এর বিধান অনুযায়ী মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।

(৩) জামানত, লাইসেন্স ফি ও লাইসেন্স নবায়নের ফি তফসিল-৭(৬) অনুযায়ী নির্ধারিত হইবে এবং ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিতে হইবে।

(৪) ঠিকাদার সংস্থা একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হইবে এবং ধারা ৩১৯ এ মহাপরিদর্শক ও অন্যান্য পরিদর্শকদের পরিদর্শন সংক্রান্ত এখতিয়ার ঠিকাদার সংস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৮
বিধি ৩৫১

পরিদর্শকের ক্ষমতা ও কার্যাবলি

(১) ধারা ৩১৯ এর অধীন মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন পরিদর্শক আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা পালনের অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) আইন ও এই বিধিমালা দ্বারা নিশ্চিত করা কোন অধিকার লংঘনের ব্যাপারে কোন পক্ষ হইতে অভিযোগ প্রাপ্ত হইলে উহা প্রাপ্তির ১০ (দশ) কর্মদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান ও তদন্ত করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নির্দেশ প্রদান করা এবং উক্ত পক্ষ নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হইলে শ্রম আদালতে ফরম-১৪ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা;

(খ) আইনের অধীন নির্ধারিত নিম্নতম মজুরি হার যে মালিক বা শ্রমিকের প্রতি প্রযোজ্য তিনি যেখানে ব্যবসা করিয়া থাকে এমন কোন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিতে এবং পরীক্ষার জন্যে কোন রেজিস্টার, মজুরি রেজিস্টার, শ্রমিকদেরকে প্রদত্ত মজুরির রেকর্ড ও অন্যান্য রেকর্ড বা দলিল যাহা মজুরি প্রদান বা হিসাবের সহিত সংশ্লিষ্ট উহা তলব করা এবং ঘটনাস্থলে বা অন্যত্র কোন ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করা;

(গ) শ্রমিকের যে কোন প্রকার পাওনা এবং মজুরি আদায়ের জন্য ক্ষেত্রমত ফরম-৪৪(খ) ও ৪৮(খ) অনুযায়ী শ্রম অদালতে অভিযোগ দায়ের বা প্রতিবেদন পেশ করা;

(ঘ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক, পরিদর্শন, শিল্প-প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রিকরণ ও শ্রমিক সংখ্যা, অসন্তোষ নিষ্পত্তিকরণ, মামলা দায়ের, শিল্প- প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত বার্ষিক রিটার্ন, ইত্যাদি সংক্রান্ত দলিলাদি বা তথ্যাদির বিবরণ প্রস্তুতকরণ এবং যথাযোগ্য কর্তৃৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে প্রচার-প্রকাশ ও সরবরাহ করা;

(ঙ) আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, শ্রমিক অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দলিলাদি বা কনভেনশন বা ঘোষণা, শ্রমখাত, শ্রমিক অধিকার, ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্স ও কর্মশালার আয়োজন করা;

(চ) শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সংক্রান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

(২) পরিদর্শক আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশলের গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) পরিদর্শক পরিদর্শনকালে কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মহিলা ও প্রতিবন্ধি শ্রমিকের সুযোগ সুবিধাসহ সার্বিক কর্মপরিবেশ বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করিবেন। ঊনবিংশ অধ্যায় বিবিধ

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৩৫১ এর (ক) উপ-বিধি (১) এর দফা (চ) এ উল্লিখিত ‘ও ট্রেড ইউনিয়ন’ শব্দসমূহ বিলুপ্ত হইবে; (খ) উপ-বিধি (১) এর দফা (চ) এর প্রান্তস্থিত ‘।’ দাড়ি এর পরিবর্তে ‘;’ সেমিকোলন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ছ) সংযোজিত হইবে, যথা: ‘‘(ছ) ধারা ৩২৩(৬) অনুযায়ী জাতীয় স্বাস্থ্য ও সেইফটি কাউন্সিল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানসমূহের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর জাতীয় স্বাস্থ্য ও সেইফটি কাউন্সিলে পেশ করিতে হইবে।’’;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৪৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।