RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা২১১

ধর্মঘট ও লক-আউট

২০২৬ সালে সংশোধিত১টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

২১১৷ (১) যে পক্ষ কোন শিল্প বিরোধ উত্থাপন করে সে পক্ষ ধারা ২১০ (১১) এর অধীন ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির তারিখ হইতে পনর দিনের মধ্যে অন্য পক্ষকে ধর্মঘট অথবা, ক্ষেত্রমত, লক আউটের নোটিশ প্রদান করিতে পারিবে, যাহাতে নোটিশ প্রদানের পর অন্যুন সাত দিন এবং অনধিক চৌদ্দ দিনের মধ্যে কোন তারিখ হইতে উহা শুরু হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে, অথবা উক্ত বিরোধ উত্থাপনকারী পক্ষ বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য শ্রম আদালতে দরখাস্ত করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি ধর্মঘটের কোন নোটিশ জারী করিতে পারিবে না, যদি না বিধি দ্বারা নির্ধারিত পন্থায় সালিসের তত্ত্বাবধানে, এতদ্‌উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে অনুষ্ঠিত কোন গোপন ভোটের মাধ্যমে উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন ১[ ৫১ শতাংশ] সদস্য ধর্মঘটের পক্ষে তাহাদের রায় প্রদান করেন৷

(২) যদি কোন ধর্মঘট বা লক-আউট শুরু হইয়া যায়, তাহা হইলে বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য বিরোধে জড়িত যে কোন পক্ষ শ্রম আদালতে দরখাস্ত পেশ করিতে পারিবে৷

(৩) যদি কোন ধর্মঘট বা লক-আউট ত্রিশ দিনের বেশী স্থায়ী হয়, তাহা হইলে সরকার, লিখিত আদেশ দ্বারা, উহা নিষিদ্ধ করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত ত্রিশ দিনের পূর্বে ও যে কোন সময়ে, লিখিত আদেশ দ্বারা কোন ধর্মঘট বা লক-আউট নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে, যদি সরকার এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্তরূপ অব্যাহত ধর্মঘট বা লক-আউট জনজীবনে সাংঘাতিক কষ্টের কারণ হইয়াছে অথবা ইহা জাতীয় স্বার্থের হানিকর৷

(৪) কোন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরকার, ইহাতে কোন ধর্মঘট বা লক-আউট শুরু হইবার পূর্বে অথবা পরে যে কোন সময়, লিখিত আদেশ দ্বারা উহা নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে৷

(৫) কোন ক্ষেত্রে সরকার উপ-ধারা (৩) অথবা (৪) এর অধীন কোন ধর্মঘট বা লক-আউট নিষিদ্ধ ঘোষণা করিলে সরকার তত্ক্ষণাত্ বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য শ্রম আদালতে প্রেরণ করিবে৷

(৬) শ্রম আদালত বিরোধের উভয় পক্ষকে শুনানীর সুযোগ দিয়া যথাশীঘ্র সম্ভব, বিরোধটি উহার নিকট প্রেরণের তারিখ হইতে অনধিক ষাট দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করিয়া উহার রোয়েদাদ প্রদান করিেবঃ

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রম আদালত প্রয়োজনবোধে বিরোধীয় কোন বিষয়ে অন্তর্বর্তী রোয়েদাদ প্রদান করিতে পারিবেঃ

আরোও শর্ত থাকে যে, রোয়েদাদ প্রদানে কোন বিলম্বের কারণে রোয়েদাদ অবৈধ হইবে না৷

(৭) শ্রম আদালতের কোন রোয়েদাদ তত্কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা, যাহা দুই বত্সরের অধিক হইবে না, পর্যন্ত বলবত্ থাকিবে৷

(৮) যদি কোন প্রতিষ্ঠান নূতন স্থাপিত হয়, অথবা বিদেশী মালিকানাধীন হয়, অথবা বিদেশী সহযোগিতায় স্থাপিত হয়, তাহা হইলে উক্তরূপ প্রতিষ্ঠানে উত্পাদন শুরু হওয়ার পরবর্তী ২[২ (দুই) বৎসর] পর্যন্ত ধর্মঘট কিংবা লক-আউট নিষিদ্ধ থাকিবে৷ তবে, উক্তরূপ প্রতিষ্ঠানে উত্থিত কোন শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধান প্রযোজ্য হইবে৷

সংশোধনী টীকা (২)
  1. ‘‘৫১ শতাংশ’’ সংখ্যা ও শব্দগুলি ‘‘দুই-তৃতীয়াংশ’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৮ নং আইন) এর ৩৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  2. “২ (দুই) বৎসর” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি “তিন বৎসর” শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৫২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২১১ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ২০৪

ধর্মঘটের নোটিস প্রদানের জন্য গোপন ভোটের আয়োজন

(১) ধারা ২১১(১) অনুযায়ী ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি ধর্মঘটের নোটিস প্রদানের উদ্দেশ্যে গোপন ভোট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করিবার জন্য সালিসকারক বরাবরে লিখিত অনুরোধ করিবে।

(২) সালিসকারক উক্ত অনুরোধ প্রাপ্তির পরবর্তী ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে সিবিএ ইউনিয়নের চাঁদা প্রদানকারী সদস্যগণকে ভোটার হিসাবে গণ্য করিয়া গোপন ভোটের ব্যবস্থা করিবেন এবং সালিসকারকের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিএ ইউনিয়ন গোপন ভোট অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিবে।

(৩) গোপন ভোটে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্যালট পেপারে অথবা Electronic Voting Machine এ ধর্মঘটের পক্ষে “হঁ্যা” অথবা কোন প্রতীক এবং ধর্মঘটের বিপক্ষে “না” অথবা কোন প্রতীক চিহ্নিত দুইটি ঘর থাকিবে।

(৪) ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক সদস্য তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী উল্লিখিত দুইটি ঘরের মধ্য হইতে যে কোন একটি ঘরে “টিক” চিহ্ন বা টিপ বা পুশের মাধ্যমে ভোট প্রদান করিবেন।

(৫) গোপন ভোট অনুষ্ঠানের পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সালিসকারক উহার ফলাফল লিখিত আকারে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধিকে প্রদান করিবেন এবং উহার কপি মালিক ও শ্রম পরিচালককে প্রদান করিবেন।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ২০৪ এর (ক) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত ‘চাঁদা প্রদানকারী সদস্যগণকে ভোটার হিসাবে গণ্য করিয়া’ শব্দসমূহের পরিবর্তে ‘সকল শ্রমিকের অংশগ্রহণে’ শব্দসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-বিধি (৫) এ উল্লিখিত ‘শ্রম পরিচালককে’ শব্দসমূহের পরিবর্তে ‘মহাপরিচালককে’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৯৭

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

নিয়ম
ধর্মঘটের নোটিশের আগে CBA-কে গোপন ব্যালটে মোট সদস্যের অন্তত ৫১% সমর্থন নিতে হবে। নতুন বা বিদেশি মালিকানার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন শুরুর পর ২ বছর ধর্মঘট নিষেধ (২০২৬)।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।