সেইফটি রেকর্ড বুক সংরক্ষণ
আইনের টেক্সট
৯০৷ পঁচিশ জনে অধিক শ্রমিক সম্বলিত প্রত্যেক কারখানা/প্রতিষ্ঠানে ১[বিধি দ্বারা নির্ধারিত] পদ্ধতিতে বাধ্যতামূলক সেইফটি রেকর্ড বুক ২[সংরক্ষণ ও সেইফটি তথ্য বোর্ড প্রদর্শন] করিতে হইবে৷
সংশোধনী টীকা (২)
- “বিধি দ্বারা নির্ধারিত” শব্দসমূহ “নির্ধারিত” শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ২৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- “সংরক্ষণ ও সেইফটি তথ্য বোর্ড প্রদর্শন” শব্দসমূহ “ও সেইফটি বোর্ড সংরক্ষণ” শব্দসমূহের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ২৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৯০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
সেইফটি রেকর্ড বুক সংরক্ষণ ও সেইফটি তথ্য বোর্ড প্রদর্শন
(১) ধারা ৯০ মোতাবেক প্রত্যেক কারখানা বা শিল্প-প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত সেইফটি রেকর্ড বুকে নিম্নবর্ণিত তথ্যসমূহ লিপিবদ্ধ থাকিতে হইবে এবং উহা পরিদর্শকের চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বিপদ বা ঝুঁকির কারণ হইতে পারে প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান ও ব্যবহৃত এমন যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক দ্রব্যাদির তালিকা;
(খ) ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যাদির বিষয়ে গৃহীত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, শ্রমিকের স্বাস্থ্যে ইহার সম্ভাব্য প্রভাব ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা;
(গ) কোন শ্রমিককে কি ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করিতে হয় তাহার বিবরণ;
(ঘ) যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা;
(ঙ) অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার তারিখ ও অংশগ্রহণকৃত শ্রমিকের সংখ্যা;
(চ) অগ্নিনির্বাপণ উপকরণসমূহের পুনঃভর্তিকরণের তারিখ;
(ছ) বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও যন্ত্রপাতির পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য;
(জ) সেইফটি কমিটির সদস্যদের তালিকা ও এতদ্সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের তারিখ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর সংখ্যা; এবং
(ঝ) সেইফটি সংক্রান্ত মালিক কর্তৃক গৃহীত অন্যান্য তথ্য।
(২) সেইফটি বুকে লিপিবিদ্ধ প্রধান প্রধান তথ্যসমূহ সকলের দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে উক্ত উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত ও টাঙ্গানো একটি সেইফটি তথ্য বোর্ডে প্রদর্শন করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।