বিধি ১৭ — কর্মীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা তহবিল
কর্মীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা তহবিল
(১) প্রত্যেক ঠিকাদার সংস্থাকে লাইসেন্স প্রাপ্তির ছয় মাসের মধ্যে উক্ত সংস্থার নামসম্বলিত ‘কর্মী সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল’ নামে যে কোন তফসিলি ব্যাংকে একটি ব্যাংক হিসাব শুরু করিতে হইবে।
(২) ব্যাংক হিসাবে ঠিকাদার সংস্থায় নিয়োগকৃত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকৃত প্রত্যেক কর্মীর বিপরীতে কর্মীর প্রতি সস্পূর্ণ বৎসরের চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য এক মাসের মূল মজুরির সমপরিমাণ অর্থ অথবা ধারা ২(১০) অনুসারে গ্রাচুইটি (যদি প্রযোজ্য হয়) হিসাবে জমা রাখিতে হইবে; যাহা শুধুমাত্র কর্মীর চাকরি যে কোন ধরনের অবসানে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচুইটির অর্থ পরিশোধের অংশ হিসাবে কর্মীকে সরাসরি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করিতে হইবে।
(৩) তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও পরিচালনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করিবে।
বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (১) ও (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-বিধি (১) ও (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: “(১) প্রত্যেক ঠিকাদার সংস্থাকে লাইসেন্স প্রাপ্তির ছয় মাসের মধ্যে উক্ত সংস্থার নাম সম্বলিত ‘কর্মী সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল’ নামে যে কোন তফসিলি ব্যাংকে একটি ব্যাংক হিসাব শুরু করিতে হইবে এবং ব্যাংক হিসাব খুলিবার পর লাইসেন্স গ্রহণের জন্য সকল কর্মীর এক মাসের মূল মজুরির সমপরিমাণ অর্থ উক্ত ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করিতে হইবে এবং পরবর্তী বৎসর হইতে পুরাতন কর্মীর জন্য মূল মজুরির ১৫% এবং নূতন কর্মীর জন্য এক মাসের মূল মজুরির সমপরিমাণ অর্থ জমা প্রদান করিতে হইবে এবং যে সব ঠিকাদার সংস্থায় পূর্ব হইতে গ্রাচুইটি স্কিম বিদ্যমান রহিয়াছে সেই সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা তহবিল গঠনের প্রয়োজন হইবে না। (২) কর্মীর চাকরির যে কোন ধরনের অবসানে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচুইটি অর্থ সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ চেকের মাধ্যমে সরাসরি পরিশোধ করিতে হইবে।”;
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ২ · ধারা ৩ক
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি