RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা১২

প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা

১টি বিধি

আইনের টেক্সট

১২। (১) কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা বিভাগে বে-আইনী ধর্মঘটের কারণে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনক্রমে, মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন, এবং এইরূপ বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকগণ কোনো মজুরি পাইবেন না।

(২) যদি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো শাখা বা বিভাগ বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো শাখা বা বিভাগ এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে উহা চালু রাখা সম্ভব নহে, তাহা হইলে উক্ত শাখা বা বিভাগও বন্ধ করিয়া দেওয়া যাইবে, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে ৩ (তিন) দিন পর্যন্ত লে-অফ এর ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের সমপরিমাণ মজুরি প্রদান করিতে হইবে, তবে এই মেয়াদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য তাহারা আর কোনো মজুরি নাও পাইতে পারেন।

(৩) উক্তরূপ বন্ধের বিষয়টি মালিক যথাশীঘ্র সম্ভব সংশ্লিষ্ট শাখা বা বিভাগের নোটিশ বোর্ডে বা প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করিবেন এবং কাজ পুনরায় শুরু হইবার বিষয়ও উক্তরূপে বিজ্ঞাপিত করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ১৭

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে লে-অফ বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত নোটিশ প্রদান

(১) আইনের ধারা ১১(৮) অনুযায়ী কোনো শ্রমিককে লে-অফ করা হইলে অথবা আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখসহ উক্তরূপ লে-অফ বা বন্ধের নোটিশ ও ফরম-১৩ অনুযায়ী একটি বিবরণী অনতিবিলম্বে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, লে-অফ বা বন্ধের নোটিশ প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের পরামর্শ গ্রহণ করিতে হইবে।

(২) লে-অফকৃত প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লে-অফ বা বন্ধ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের অধিক হইলে আইনের ধারা ১৯ অনুযায়ী সকল পাওনা পরিশোধপূর্বক শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রতিষ্ঠান বা কারখানা আইনের ধারা ১২ এর অধীন বন্ধ হইলে কোনো শ্রমিক আইনের ধারা ১৯(২)(ক) অনুয়ায়ী নোটিশ বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না।

(৩) লে-অফকৃত বা সাময়িকভাবে বন্ধকৃত কোনো কারখানা বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকের জন্য প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুযায়ী যাবতীয় পাওনা পরিশোধ না করিয়া অন্য কোনো মালিকের নিকট বা সংস্থার নিকট লিজ প্রদান বা ভাড়ার চুক্তি করিয়া উৎপাদন বা সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সহিত যুক্ত করিতে পারিবেন না।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১১

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

BLA ধারা ১৩ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১৩ · প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা

১৩। (১) কোন প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা বিভাগে বে-আইনী ধর্মঘটের কারণে মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন, এবং এরূপ বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকগণ কোন মজুরী পাইবেন না।

(২) যদি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শাখা বা বিভাগ বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানের অন্য কোন শাখা বা বিভাগ এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে উহা চালু রাখা সম্ভব নহে, তাহা হইলে উক্ত শাখা বা বিভাগও বন্ধ করিয়া দেওয়া যাইবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে তিন দিন পর্যন্ত লে-অফ এর ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের সমপরিমাণ মজুরী প্রদান করিতে হইবে, তবে এই মেয়াদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য তাহারা আর কোন মজুরী নাও পাইতে পারেন।

(৩) উক্তরূপ বন্ধের বিষয়টি মালিক যথাশীঘ্র সম্ভব সংশ্লিষ্ট শাখা বা বিভাগের নোটিশ বোর্ডে বা প্রতিষ্ঠানের কোন প্রকাশ্যস্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া সংশিস্নষ্ট সকলকে অবহিত করিবেন এবং কাজ পুনরায় শুরু হইবার বিষয়ও উক্তরূপে বিজ্ঞাপিত করিবেন।

EPZ ধারা ১২ · প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা

১২। (১) কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা বিভাগে বে-আইনী ধর্মঘটের কারণে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনক্রমে, মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন, এবং এইরূপ বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকগণ কোনো মজুরি পাইবেন না।

(২) যদি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো শাখা বা বিভাগ বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো শাখা বা বিভাগ এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে উহা চালু রাখা সম্ভব নহে, তাহা হইলে উক্ত শাখা বা বিভাগও বন্ধ করিয়া দেওয়া যাইবে, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে ৩ (তিন) দিন পর্যন্ত লে-অফ এর ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের সমপরিমাণ মজুরি প্রদান করিতে হইবে, তবে এই মেয়াদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য তাহারা আর কোনো মজুরি নাও পাইতে পারেন।

(৩) উক্তরূপ বন্ধের বিষয়টি মালিক যথাশীঘ্র সম্ভব সংশ্লিষ্ট শাখা বা বিভাগের নোটিশ বোর্ডে বা প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করিবেন এবং কাজ পুনরায় শুরু হইবার বিষয়ও উক্তরূপে বিজ্ঞাপিত করিবেন।