RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৬০

মজুরি হইতে কর্তন অথবা মজুরি বিলম্বে পরিশোধের কারণে উত্থাপিত দাবি

২টি বিধি

আইনের টেক্সট

৬০। (১) যেক্ষেত্রে এই আইনের বিধানের খেলাপের জন্য কোনো শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা হয় অথবা কোনো শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা না হয় অথবা তাহার মজুরি কিংবা প্রবিধানের আওতায় প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের প্রাপ্য পরিশোধে বিলম্ব ঘটে সেক্ষেত্রে তিনি, অথবা তাহার মৃত্যু হইলে তাহার কোনো উত্তরাধিকারী অথবা কোনো আইনসঙ্গত প্রতিনিধি কর্তৃক মজুরি ফেরত পাইবার জন্য অথবা বকেয়া বা বিলম্বিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা আদায়ের জন্য ইপিজেড শ্রম আদালতে দরখাস্ত করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দরখাস্ত পেশের সময়, স্থান ও ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আদেশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৬০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ১২৭

মজুরি পরিশোধের জন্য ইপিজেড শ্রম আদালতে দরখাস্ত

(১) যেইক্ষেত্রে আইনের ষষ্ঠ অধ্যায়ের বিধানের ব্যতিক্রম করিয়া কোনো শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা হয় অথবা কোনো শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা না হয় অথবা তাহার মজুরি বা প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের প্রাপ্য পরিশোধে বিলম্ব ঘটে সেইক্ষেত্রে তিনি অথবা তাহার মৃত্যু হইলে তাহার কোনো উত্তরাধিকারী অথবা কোনো আইনসঙ্গত প্রতিনিধি কর্তৃক মজুরি ফেরত পাইবার জন্য অথবা বকেয়া বা বিলম্বিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম-৫১, ফরম-৫২ বা ফরম-৫৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ইপিজেড শ্রম আদালতে দরখাস্ত উপস্থাপন করিতে হইবে।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন দাখিলকৃত দরখাস্ত সংশ্লিষ্ট শ্রমিক যেই জোনে কাজ করিতেন অথবা যেই জোনে তাহাকে মজুরি পরিশোধ করা হইত উহা যেই ইপিজেড শ্রম আদালতের এখতিয়ারাধীন উক্ত আদালতে মজুরি কর্তনের তারিখ হইতে অথবা, ক্ষেত্রমত, মজুরি প্রদেয় হইবার তারিখ হইতে ১২ (বারো) মাসের মধ্যে উপস্থাপন করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-বিধি (১) এর অধীন দাখিলকৃত দরখাস্ত মজুরি কর্তনের তারিখ হইতে অথবা, ক্ষেত্রমত, মজুরি প্রদেয় হইবার তারিখ হইতে ১২ (বারো) মাসের পরেও উপস্থাপন করা যাইবে যদি দরখাস্তকারী ইপিজেড শ্রম আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারেন যে, উক্ত সময়ের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল না করিবার জন্য তাহার যথেষ্ট কারণ ছিল।

(৩) ইপিজেড শ্রম আদালত উপ-বিধি (১) এর অধীন কোনো দরখাস্ত প্রাপ্তির পর উহার উপর দরখাস্তকারী এবং মালিক অথবা মজুরি পরিশোধের জন্য এই অধ্যায়ের বিধান অনুযায়ী দায়ী অন্য কোনো ব্যক্তিকে শুনানির জন্য যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিবে এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করিবে এবং যে মজুরি কর্তন করা হইয়াছে বা যে মজুরি পরিশোধ করা হয় নাই বা পরিশোধে বিলম্ব করা হইতেছে উহা দরখাস্তকারীকে পরিশোধ করিবার জন্য মালিক বা মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী উক্ত ব্যক্তিকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন কোনো আদেশ এই আইনের অধীন উক্ত মালিক বা মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রহণীয় কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হানি করিবে না।

(৫) ইপিজেড শ্রম আদালত উপ-বিধি (৩) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশের সময় মজুরির ২৫% (শতকরা পঁচিশ ভাগ) ক্ষতিপূরণ হিসাবে দরখাস্তকারীকে প্রদানের জন্যও মালিক বা মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৬) মজুরি পরিশোধে বিলম্বের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (৫) এর অধীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য কোনো নির্দেশ প্রদান করা যাইবে না যদি ইপিজেড শ্রম আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত বিলম্বের কারণ ছিল

(ক) শ্রমিককে প্রদেয় মজুরির পরিমাণ সম্পর্কে প্রকৃত ভুল বা প্রকৃত বিরোধ ;

(খ) কোনো জরুরি অবস্থা অথবা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তি কর্তৃক তাহার যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা সত্ত্বেও যথাসময়ে উহা প্রদান করিতে অক্ষমতা; অথবা

(গ) মজুরি গ্রহণে অথবা উহার জন্য দরখাস্ত করিতে শ্রমিকের ব্যর্থতা।

(৭) এই বিধির অধীন কোনো দরখাস্ত শুনানিকালে যদি ইপিজেড শ্রম আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত দরখাস্ত বিদ্বেষপ্রসূত অথবা অসৎ উদ্দেশ্যে তাহা হইলে আদালত দরখাস্তকারীকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা পর্যন্ত জরিমানা করিতে পারিবে এবং উহা মালিক বা মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে প্রদান করিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৮৫
বিধি ১২৮

আইনের ধারা ৬০ এর অধীন দরখাস্তের ক্ষেত্রে কোর্ট-ফি

(১) আইনের ধারা ৬০ এর অধীন কোনো দরখাস্তের জন্য দরখাস্তকারীকে সমন জারির ফি ব্যতীত আর কোনো কোর্ট ফি প্রদান করিতে হইবে না।

(২) দরখাস্তকারী মামলায় সফল হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত দরখাস্তটি যদি অর্থ আদায়ের জন্য কোনো দেওয়ানী আদালতে দাখিলকৃত আরজি হইত তাহা হইলে উহার জন্য যে কোর্ট ফি প্রদেয় হইত উক্ত কোর্ট ফি এই মামলার জন্য প্রদেয় বলিয়া হিসাব করিবে এবং মালিক বা আইনের ধারা ৫৫ এর অধীন মজুরি পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে উক্ত অর্থ প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।

(৩) উপ-বিধি (২) এর অধীন প্রদেয় অর্থ যদি ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদায় করা না হয় তাহা হইলে উহা সরকারি প্রাপ্য হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৮৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA ধারা ১৩২: শ্রম আদালত, ১২ মাস সময়সীমা; ২০২৬ থেকে পরিদর্শকও দরখাস্ত করতে পারেন।

BLA ধারা ১৩২ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১৩২ · মজুরী হইতে কর্তন বা মজুরী বিলম্বে পরিশোধের কারণে উত্থিত দাবী

১৩২। (১) যে ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানের খেলাপ ১[ করিয়া] কোন শ্রমিকের মজুরী হইতে কোন কর্তন করা হয় অথবা কোন শ্রমিকের মজুরী পরিশোধ করা না হয় অথবা তাহার মজুরী কিংবা কোন বিধির আওতায় প্রদেয় গ্রাচুইটি বা ভবিষ্য তহবিলের প্রাপ্য পরিশোধে বিলম্বে ঘটে সে ক্ষেত্রে তিনি, অথবা তাহার মৃতু্য হইলে তাহার কোন উত্তরাধিকারী অথবা কোন আইনসঙ্গত প্রতিনিধি ২[বা কোনো পরিদর্শক] কর্তৃক মজুরী ফেরত পাওয়ার জন্য অথবা বকেয়া বা বিলম্বিত মজুরী ও অন্যান্য পাওনা আদায়ের জন্য শ্রম আদালতে দরখাসত্দ করিতে পারিবেন।

(২) উক্তরূপ দরখাসত্দ, সংশিস্নষ্ট শ্রমিক যে স্থানে কাজ করিতেন অথবা যে স্থানে তাহাকে মজুরী পরিশোধ করা হইত সে স্থান যে শ্রম আদালতের এখতিয়ারাধীন, সে শ্রম আদালতে মজুরী কর্তনের তারিখ হইতে অথবা, ক্ষেত্রমত, মজুরী প্রদেয় হওয়ার তারিখ হইতে বারো মাসের মধ্যে পেশ করিতে হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন দরখাস্ত উক্ত সময়ের পরেও পেশ করা যাইবে যদি দরখাস্তকারী শ্রম আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারেন যে, উক্ত সময়ের মধ্যে দরখাসত্দ দাখিল না করার পিছনে তাহার যথেষ্ট কারণ ছিল।

(৩) শ্রম আদালত উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন দরখাসত্দ প্রাপ্তির পর উহার উপর দরখাসত্দকারী এবং মালিক অথবা মজুরী পরিশোধের জন্য এই অধ্যায়ের বিধান অনুযায়ী দায়ী অন্য কোন ব্যক্তিকে শুনানীর জন্য যুক্তসংগত সুযোগ দান করিবে এবং প্রয়োজনীয় সাৰ্য প্রমাণ গ্রহণ করিবে, এবং যে মজুরী কর্তন করা হইয়াছে বা যে মজুরী পরিশোধ করা হয় নাই বা পরিশোধে বিলম্ব করা হইতেছে উহা দরখাসত্দকারীকে পরিশোধ করিবার জন্য মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী উক্ত ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আদেশ এই আইনের অধীন উক্ত মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরম্নদ্ধে গ্রহণীয় কোন শাসত্দিমূলক ব্যবস্থার হানি করিবে না।

(৫) শ্রম আদালত উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশের সময় মজুরীর শতকরা পঁচিশ ভাগ ৰতিপূরণ হিসাবে দরখাসত্দকারীকে প্রদানের জন্যও মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারিবে।

(৬) মজুরী পরিশোধে বিলম্বের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (৫) এর অধীন ৰতিপূরণ প্রদানের জন্য কোন নির্দেশ দেওয়া যাইবে না, যদি শ্রম আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত বিলম্বের কারণ ছিল-

(ক) শ্রমিককে প্রদেয় মজুরীর পরিমাণ সম্পর্কে প্রকৃত ভুল বা প্রকৃত বিরোধ;

(খ) কোন জরম্নরী অবস্থা অথবা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তি কর্তৃক তাহার যুক্তিসংগত চেষ্টা সত্ত্বেও যথাসময়ে উহা প্রদান করিতে অৰমতা; অথবা

(গ) মজুরী গ্রহণে অথবা উহার জন্য দরখাসত্দ করিতে শ্রমিকের ব্যর্থতা।

(৭) এই ধারার অধীন কোন দরখাসত্দ শুনানীকালে যদি শ্রম আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত দরখাসত্দ বিদ্বেষ প্রসূত অথবা বিরক্তিকর তাহা হইলে আদালত দরখাসত্দকারীকে অনধিক দুইশত টাকা পর্যনত্দ জরিমানা করিতে পারিবে এবং উহা মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে প্রদান করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে।

EPZ ধারা ৬০ · মজুরি হইতে কর্তন অথবা মজুরি বিলম্বে পরিশোধের কারণে উত্থাপিত দাবি

৬০। (১) যেক্ষেত্রে এই আইনের বিধানের খেলাপের জন্য কোনো শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা হয় অথবা কোনো শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা না হয় অথবা তাহার মজুরি কিংবা প্রবিধানের আওতায় প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের প্রাপ্য পরিশোধে বিলম্ব ঘটে সেক্ষেত্রে তিনি, অথবা তাহার মৃত্যু হইলে তাহার কোনো উত্তরাধিকারী অথবা কোনো আইনসঙ্গত প্রতিনিধি কর্তৃক মজুরি ফেরত পাইবার জন্য অথবা বকেয়া বা বিলম্বিত মজুরি ও অন্যান্য পাওনা আদায়ের জন্য ইপিজেড শ্রম আদালতে দরখাস্ত করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দরখাস্ত পেশের সময়, স্থান ও ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আদেশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।