শ্রমিকের মজুরিকাল ও মজুরি পরিশোধের মেয়াদ
আইনের টেক্সট
২৬। (১) কোনো শ্রমিকের মজুরিকাল ১ (এক) মাসের ঊর্ধ্বে হইবে না।
(২) কোনো শ্রমিকের যে মজুরিকাল সম্পর্কে তাহার মজুরি প্রদেয় হয় সেই কাল শেষ হইবার পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে তাহার মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ২৬ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
মজুরি পরিশোধের মেয়াদ ও পরিশোধের নোটিশ
(১) আইনের ধারা ২৬ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে শ্রমিকের মজুরি মাসিক, সাপ্তাহিক, দৈনিক বা পিসরেট যে পদ্ধতিতেই নির্ধারণ করা হউক না কেন উহা শ্রমিককে পূর্বেই নোটিশ আকারে অবহিত করিতে হইবে এবং পরিশোধের সময় ও পদ্ধতিও নোটিশে উল্লেখ থাকিবে।
(২) মালিক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের তারিখ নির্দিষ্ট করিয়া অন্যূন ৫ (পাঁচ) দিন পূর্বে বাংলায় সহজবোধ্য ভাষায় লিখিত নোটিশ প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে বা উহার নিকটবর্তী প্রকাশ্য স্থানে টাঙ্গাইয়া দিবেন।
(৩) অবসর গ্রহণের কারণে, মালিক কর্তৃক ছাঁটাই, ডিসচার্জ, অপসারণ, বরখাস্তের কারণে, শ্রমিক কর্তৃক অব্যাহতি গ্রহণের কারণে অথবা অন্য কোনো কারণে যদি কোনো শ্রমিকের চাকরির ছেদ ঘটে, তাহা হইলে উক্ত শ্রমিকের সকল পাওনা চাকরির ছেদ ঘটিবার পরবর্তী ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে।
মজুরি পরিশোধের দায়িত্ব ও পরিশোধের ধরন
(১) আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী প্রত্যেক মালিক, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক অথবা উহার তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের জন্য মালিকের নিকট দায়ী অন্য কোনো ব্যক্তি তৎকর্তৃক নিযুক্ত প্রত্যেক শ্রমিককে এই আইনের অধীন মজুরি পরিশোধ করিবার জন্য দায়ী থাকিবেন।
(২) সকল মজুরি প্রচলিত মুদ্রা, কারেন্সি নোট অথবা ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করিতে হইবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শ্রমিকের চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিকের ব্যবহৃত ব্যাংক একাউন্টে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে বা অন্য কোনো আধুনিক পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয়; মজুরিকাল শেষে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে মজুরি।
- রেকর্ড
- Wage register, payment date record।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
দুই আইনেই মজুরিকাল ≤ ১ মাস এবং পরিশোধ ৭ কর্মদিবসের মধ্যে (BLA ধারা ১২২, ১২৩)।
BLA ধারা ১২২ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১২২ · মজুরীকাল স্থিরিকরণ
১২২। (১) ধারা ১২১ এর অধীন মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ মজুরী পরিশোধ সমপর্কে মজুরীকাল স্থির করিবেন।
(২) কোন মজুরীকাল এক মাসের উর্ধে হইবে না।
EPZ ধারা ২৬ · শ্রমিকের মজুরিকাল ও মজুরি পরিশোধের মেয়াদ
২৬। (১) কোনো শ্রমিকের মজুরিকাল ১ (এক) মাসের ঊর্ধ্বে হইবে না।
(২) কোনো শ্রমিকের যে মজুরিকাল সম্পর্কে তাহার মজুরি প্রদেয় হয় সেই কাল শেষ হইবার পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে তাহার মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।
BLA ধারা ১২৩ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১২৩ · মজুরী পরিশোধের সময়
১২৩। (১) কোন শ্রমিকের যে মজুরীকাল সমপর্কে তাহার মজুরী প্রদেয় হয় সেই কাল শেষ হওয়ার পরবর্তী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাহার মজুরী পরিশোধ করিতে হইবে।
(২) যে ক্ষেত্রে কোন শ্রমিকের চাকুরী তাহার অবসর গ্রহণের কারণে অবসান হয়, অথবা মালিক কর্তৃক তাহার ছাটাই, ডিসচার্জ, অপসারণ, ১[শ্রমিক কর্তৃক চাকুরীর অবসান অথবা] অন্য কোন কারণে উহার অবসান করা হয় সে ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিককে প্রদেয় সকল মজুরী তাহার চাকুরী অবসানের তারিখ হইতে পরবর্তী ২[ত্রিশ] কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে।
(৩) সকল মজুরী কর্মদিবসে পরিশোধ করিতে হইবে।
EPZ ধারা ২৬ · শ্রমিকের মজুরিকাল ও মজুরি পরিশোধের মেয়াদ
২৬। (১) কোনো শ্রমিকের মজুরিকাল ১ (এক) মাসের ঊর্ধ্বে হইবে না।
(২) কোনো শ্রমিকের যে মজুরিকাল সম্পর্কে তাহার মজুরি প্রদেয় হয় সেই কাল শেষ হইবার পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে তাহার মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।