নোটিশ জারি ও বিবরণী পেশ
আইনের টেক্সট
১৯০। কর্তৃপক্ষ প্রবিধান দ্বারা-
(ক) এই আইনের অধীন কোনো আদেশ জারির পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) কোনো মালিককে, এই আইনের উদ্দেশ্যে নিয়মিত বা সময়ে সময়ে উহাতে উল্লিখিত বিবরণী দাখিলের জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৯০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
নোটিশ জারি ও বিবরণী উপস্থাপন
(১) আইনের ধারা ১৯০ মোতাবেক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যেক আদেশ নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে, যথা:
(ক) ডাকযোগে বা সরাসরি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে বা লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) সাধারণ সার্কুলার প্রণয়নের মাধ্যমে;
(গ) গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
(২) আইনের ধারা ১৯০ মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের মালিক বা ব্যবস্থাপক প্রতি বৎসর ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফরম-১০৬ অনুযায়ী ২ (দুই) প্রস্থ করিয়া বার্ষিক বিবরণী অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট দাখিল করিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।