RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৫

শ্রমিকগণের শ্রেণি বিভাগ এবং শিক্ষানবিশিকাল

১টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

৫। (১) কাজের ধরন ও প্রকৃতির ভিত্তিতে কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকগণকে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে বিভক্ত করা যাইবে, যথা :-

(ক) শিক্ষাধীন;

(খ) সাময়িক;

(গ) অস্থায়ী;

(ঘ) শিক্ষানবিশ;ও

(ঙ) স্থায়ী।

(২) কোনো শ্রমিককে শিক্ষাধীন শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ প্রশিক্ষণার্থী হিসাবে হয়; এবং প্রশিক্ষণকালে তাহাকে ভাতা প্রদান করা হয়।

(৩) কোনো শ্রমিককে সাময়িক শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে সাময়িক ধরনের কাজে সাময়িকভাবে তাহাকে নিয়োগ করা হয়।

(৪) কোনো শ্রমিককে অস্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ এমন কোনো কাজের জন্য হয় যাহা একান্তভাবে অস্থায়ী ধরনের এবং যাহা সীমিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হইবার সম্ভাবনা থাকে।

(৫) কোনো শ্রমিককে শিক্ষানবিশ শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো স্থায়ী পদে তাহাকে শিক্ষানবিশ হিসাবে নিয়োগ করা হয় এবং তাহার শিক্ষানবিশিকাল সমাপ্ত না হইয়া থাকে।

(৬) কোনো শ্রমিককে স্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো স্থায়ী পদে তাহাকে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করা হয় অথবা উপ-ধারা (৫) এর অধীন শিক্ষানবিশ হিসাবে নিয়োগ করা হয় এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে তিনি তাহার শিক্ষানবিশিকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করিয়া থাকেন।

(৭) করণিক কাজে নিযুক্ত কোনো শ্রমিকের শিক্ষানবিশিকাল হইবে ৬ (ছয়) মাস এবং অন্যান্য শ্রমিকের জন্য এই সময় হইবে ৩ (তিন) মাস :

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো শ্রমিকের শিক্ষানবিশিকাল আরো ৩ (তিন) মাস বৃদ্ধি করা যাইবে যদি কোনো কারণে তিনি তাহার শিক্ষানবিশিকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত না করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৫ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ৮

শ্রমিকের চাকরির শিক্ষানবিশকাল ও স্থায়ীকরণ

(১) করণিক কাজে নিযুক্ত কোনো শ্রমিকের শিক্ষানবিশকাল হইবে ৬ (ছয়) মাস এবং অন্যান্য শ্রমিকের জন্য এই সময় হইবে ৩ (তিন) মাস:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক তাহার শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করিতে না পারিলে উক্ত শিক্ষানবিশকাল ৩ (তিন) মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা যাইবে।

(২) কোনো শিক্ষানবিশ শ্রমিকের শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হইলে স্থায়ীকরণ পত্র প্রদান করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যেই সকল শ্রমিকের শিক্ষানবিশকাল ৩ (তিন) মাস বর্ধিত করা হইবে সেই সকল শ্রমিকের ক্ষেত্রে উক্ত বর্ধিত মেয়াদ শেষে স্থায়ীকরণ পত্র প্রদান করা না হইলেও সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থায়ী বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) কোনো শ্রমিকের চাকরি তাহার শিক্ষানবিশকালে বর্ধিত সময়সহ অবসান হয় এবং উহার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি তিনি একই মালিক কর্তৃক পুনরায় অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত হন তাহা হইলে তিনি একজন শিক্ষানবিশ হিসাবে গণ্য হইবেন এবং এইক্ষেত্রে শিক্ষানবিশকাল গণনার ক্ষেত্রে পূর্বের চাকরির শিক্ষানবিশকাল হিসাব করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
শ্রেণি: শিক্ষাধীন, সাময়িক, অস্থায়ী, শিক্ষানবিশ, স্থায়ী। শিক্ষানবিশকাল করণিক ৬ মাস, অন্যান্য ৩ মাস; সন্তোষজনক না হলে আরও ৩ মাস।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-তে ৭ শ্রেণি (শিক্ষাধীন, বদলী, সাময়িক, অস্থায়ী, শিক্ষানবিশ, স্থায়ী, মৌসুমী); EPZ ধারা ৫-এ ৫ শ্রেণি (বদলী ও মৌসুমী নেই)। শিক্ষানবিশকাল দুই আইনেই করণিক ৬ মাস, অন্যান্য ৩ মাস, প্রয়োজনে আরও ৩ মাস। BLA-তে মেয়াদ শেষে confirmation letter না দিলেও স্থায়ী গণ্য হয়।

BLA ধারা ৪ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৪ · শ্রমিকগণের শ্রেণী বিভাগ এবং শিক্ষানবিশীকাল

৪। (১) কাজের ধরন ও প্রকৃতির ভিত্তিতে কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকগণকে নিম্নলিখিত শ্রেণীতে বিভক্ত করা যাইবে, যথাঃ-

(ক) শিক্ষাধীন;

(খ) বদলী;

(গ) সাময়িক;

(ঘ) অস্থায়ী;

১[(ঙ) শিক্ষানবিশ;

(চ) স্থায়ী ; ও

(ছ) মৌসুমী শ্রমিক।]

(২) কোন শ্রমিককে শিক্ষাধীন শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ প্রশিক্ষণার্থী হিসাবে হয়; এবং প্রশিক্ষণকালে তাহাকে ভাতা প্রদান করা হয় ২[, ] ৩[এবং এইরূপ শ্রমিকের ক্ষেত্রে আইনের অষ্টাদশ অধ্যায় প্রযোজ্য হইবে।]

(৩) কোন শ্রমিককে বদলী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে তাহাকে কোন স্থায়ী শ্রমিক বা শিক্ষানবিসের পদে তাহাদের সাময়িক অনুপস্থিতিকালীন সময়ের জন্য নিযুক্ত করা হয়।

৪[(৪) কোন শ্রমিককে সাময়িক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে সাময়িক ধরনের কাজে সাময়িকভাবে তাহাকে নিয়োগ করা হয়;]

(৫) কোন শ্রমিককে অস্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ এমন কোন কাজের জন্য হয় যাহা একান্তভাবে অস্থায়ী ধরনের এবং যাহা সীমিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(৬) কোন শ্রমিককে শিক্ষানবিস শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানের কোন স্থায়ী পদে তাহাকে আপাততঃ নিয়োগ করা হয় এবং তাহার শিক্ষানবিশীকাল সমাপ্ত না হইয়া থাকে।

(৭) কোন শ্রমিককে স্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে তাহাকে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করা হয়, অথবা প্রতিষ্ঠানে তিনি তাহার শিক্ষানবিশীকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করিয়া থাকেন।

(৮) কেরানী-সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত কোন শ্রমিকের শিক্ষানবিশীকাল হইবে ছয় মাস এবং অন্যান্য শ্রমিকের জন্য এই সময় হইবে তিন মাসঃ

তবে শর্ত থাকে যে, একজন দক্ষ শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার শিক্ষানবিশীকাল আরও তিন মাস বৃদ্ধি করা যাইবে যদি কোন কারণে প্রথম তিন মাস শিক্ষানবিসীকালে তাহার কাজের মান নির্ণয় করা সম্ভব না হয়৫[:

আরও শর্ত থাকে যে, শিক্ষানবিশকাল শেষে বা তিন মাস মেয়াদ বৃদ্ধি শেষে কনফরমেশন লেটার দেওয়া না হইলেও উপ-ধারা (৭) এর বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থায়ী বলিয়া গণ্য হইবে।]

(৯) যদি কোন শ্রমিকের চাকুরী তাহার শিক্ষানবিসীকালে, বর্ধিত সময়সহ, অবসান হয়, এবং ইহার পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে যদি তিনি একই মালিক কর্তৃক পুনরায় নিযুক্ত হন তাহা হইলে তিনি, যদি না স্থায়ীভাবে নিযুক্ত হন, একজন শিক্ষানবিসী হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তাহার নতুন শিক্ষানবিশীকাল গণনার ক্ষেত্রে পূর্বের শিক্ষানবিশীকাল হিসাবে আনা হইবে।

(১০) যদি কোন স্থায়ী শ্রমিক কোন নতুন পদে শিক্ষানবিস হিসাবে নিযুক্ত হন, তাহা হইলে তাহার শিক্ষানবিসীকালে যে কোন সময় তাহাকে পূর্বের স্থায়ী পদে ফেরত আনা যাইবে।

৬[(১১) কোন শ্রমিককে মৌসুমী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোন প্রতিষ্ঠানে মৌসুমকালে কোন শ্রমিককে মৌসুমী কাজে নিয়োগ করা হয় এবং মৌসুম চলাকালীন পর্যন্ত কর্মরত থাকেন।

(১২) চিনি কল, চাতাল প্রভৃতি শিল্প এবং মৌসুমী কারখানায় শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বৎসরে নিয়োগকৃত শ্রমিকদেরকে অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।]

EPZ ধারা ৫ · শ্রমিকগণের শ্রেণি বিভাগ এবং শিক্ষানবিশিকাল

৫। (১) কাজের ধরন ও প্রকৃতির ভিত্তিতে কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকগণকে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে বিভক্ত করা যাইবে, যথা :-

(ক) শিক্ষাধীন;

(খ) সাময়িক;

(গ) অস্থায়ী;

(ঘ) শিক্ষানবিশ;ও

(ঙ) স্থায়ী।

(২) কোনো শ্রমিককে শিক্ষাধীন শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ প্রশিক্ষণার্থী হিসাবে হয়; এবং প্রশিক্ষণকালে তাহাকে ভাতা প্রদান করা হয়।

(৩) কোনো শ্রমিককে সাময়িক শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে সাময়িক ধরনের কাজে সাময়িকভাবে তাহাকে নিয়োগ করা হয়।

(৪) কোনো শ্রমিককে অস্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাহার নিয়োগ এমন কোনো কাজের জন্য হয় যাহা একান্তভাবে অস্থায়ী ধরনের এবং যাহা সীমিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হইবার সম্ভাবনা থাকে।

(৫) কোনো শ্রমিককে শিক্ষানবিশ শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো স্থায়ী পদে তাহাকে শিক্ষানবিশ হিসাবে নিয়োগ করা হয় এবং তাহার শিক্ষানবিশিকাল সমাপ্ত না হইয়া থাকে।

(৬) কোনো শ্রমিককে স্থায়ী শ্রমিক বলা হইবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো স্থায়ী পদে তাহাকে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করা হয় অথবা উপ-ধারা (৫) এর অধীন শিক্ষানবিশ হিসাবে নিয়োগ করা হয় এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে তিনি তাহার শিক্ষানবিশিকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করিয়া থাকেন।

(৭) করণিক কাজে নিযুক্ত কোনো শ্রমিকের শিক্ষানবিশিকাল হইবে ৬ (ছয়) মাস এবং অন্যান্য শ্রমিকের জন্য এই সময় হইবে ৩ (তিন) মাস :

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো শ্রমিকের শিক্ষানবিশিকাল আরো ৩ (তিন) মাস বৃদ্ধি করা যাইবে যদি কোনো কারণে তিনি তাহার শিক্ষানবিশিকাল সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত না করেন।