প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পরিশোধ সংক্রান্ত পদ্ধতি
আইনের টেক্সট
৩১। কোনো অন্তঃসত্ত্বা মহিলা শ্রমিক এই আইনের অধীন প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবার অধিকারী হইলে তিনি মালিককে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ প্রদান করিবেন এবং মালিক সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিককে ছুটিসহ প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৩১ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পরিশোধ সংক্রান্ত পদ্ধতি
(১) আইনের ধারা ৩১ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোনো অন্তঃসত্ত্বা মহিলা প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবার অধিকারী হইলে তিনি যে কোনো দিন মালিককে লিখিত বা মৌখিকভাবে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করিবেন যে, নোটিশের ৮ (আট) সপ্তাহের মধ্যে তাহার সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা রহিয়াছে এবং উক্ত নোটিশে তাহার মৃত্যূর ক্ষেত্রে এই সুবিধা যিনি গ্রহণ করিবেন তাহার নামও উল্লেখ থাকিবে।
(২) কোনো মহিলা উক্তরূপ কোনো নোটিশ প্রদান না করিয়া থাকিলে তাহার সন্তান প্রসবের ৭(সাত) দিনের মধ্যে তিনি উক্তরূপ নোটিশ প্রদান করিয়া তাহার সন্তান প্রসব সম্পর্কে মালিককে অবহিত করিবেন।
(৩) মালিক সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিককে উপ-বিধি (১) এর অধীন উল্লিখিত নোটিশ প্রাপ্তির পরের দিন হইতে এবং উপ-বিধি (২) এর অধীন উল্লিখিত নোটিশের ক্ষেত্রে সন্তান প্রসবের তারিখ হইতে সন্তান প্রসবের পরবর্তী ৮ (আট) সপ্তাহ পর্যন্ত কাজে অনুপস্থিত থাকিবার জন্য অনুমতি প্রদান করিবেন।
(৪) কোনো মালিক সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিকের চাহিদানুযায়ী নিম্নলিখিত যে কোনো পন্থায় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, যথা:
(ক) মহিলা শ্রমিকের ৮ (আট) সপ্তাহের মধ্যে সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা সম্পর্কে জোনের চিকিৎসক বা কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের নিকট হইতে প্রত্যয়নপত্র উপস্থাপন করা হইলে প্রত্যয়নপত্র উপস্থাপন করিবার পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রসব পূর্ববর্তী ৮ (আট) সপ্তাহের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, এবং মহিলার সন্তান প্রসবের প্রমাণ উপস্থাপন করিবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে অবশিষ্ট সময়ের জন্য প্রদেয় উক্তরূপ সুবিধা প্রদান করিবেন;
(খ) মহিলা শ্রমিক মালিকের নিকট সন্তান প্রসবের প্রমাণ উপস্থাপন করিবার পরবর্তী ৩(তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে সন্তান প্রসবের তারিখসহ উহার পূর্ববর্তী ৮ (আট) সপ্তাহের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, এবং উক্ত প্রমাণ পেশের পরবর্তী ৮ (আট) সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট মেয়াদের সুবিধা প্রদান করিবেন;
(গ) মহিলা শ্রমিক সন্তান প্রসবের প্রমাণ উপস্থাপন করিবার পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পূর্ণ সময়ের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন;
(ঘ) কোনো মহিলা শ্রমিক মালিককে নোটিশ প্রদানের পূর্বেই যদি সন্তান প্রসব করেন, তাহা হইলে সন্তান প্রসবের প্রমাণ উপস্থাপন করিবার পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে উক্ত সম্পূর্ণ সময়ের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধাসহ প্রসব পরবর্তী ৮(আট) সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটিতে থাকিবার অনুমতি প্রদান করিবেন;
(ঙ) এই উপ-বিধির অধীন যে প্রসূতি কল্যাণ বা উহার কোনো সুবিধা প্রদান সন্তান প্রসবের প্রমাণ পেশের উপর নির্ভরশীল সেইরূপ কোনো প্রমাণ সন্তান প্রসবের ৩(তিন) মাসের মধ্যে উপস্থাপন না করিলে মহিলা শমিক এই সুবিধা পাইবার অধিকারী হইবেন না; এবং
(চ) প্রসূতি কল্যাণ ছুটিতে যাইবার নির্ধারিত তারিখের পূর্বে কোনো মহিলা শ্রমিকের গর্ভপাত ঘটিলে তিনি কোনো প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবেন না, তবে স্বাস্থ্যগত কারণে পরবর্তী ৪ (চার) সপ্তাহ ছুটি ভোগ করিতে পারিবেন কিন্তু এই ক্ষেত্রে মজুরি কর্তন করা যাইবে না বা উক্তরূপ ছুটি অন্য কোনো ছুটির সহিত সমন্বয় করা যাইবে না।
(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন যে প্রমাণ উপস্থাপন করিতে হইবে, উহা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নম্বর আইন) এর অধীন প্রদত্ত জন্ম রেজিস্টারের সত্যায়িত উদ্বৃতি অথবা জোনের চিকিৎসক বা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র অথবা মালিকের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্য কোনো প্রমাণ হইতে পারিবে।
প্রসূতি হইবার নোটিশ
(১) আইনের ধারা ৩১ এবং বিধি ৩৫ এর উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সন্তান প্রসবের পূর্বে ফরম-১৯ ও বিধি ৩৫ এর উপ-বিধি (২) অনুযায়ী সন্তান প্রসবের পরে ফরম-২০ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।
(২) বিধি ৩৫ এর উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী প্রসব পরবর্তী প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো প্রসূতি সশরীরে উপস্থিত হইয়া উহা গ্রহণে অপারগ হইলে তাহার মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা কোনো মনোনীত ব্যক্তি না থাকিলে তাহার নিকট হইতে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উহা প্রদান করিতে হইবে।
(৩) শ্রমিক কর্তৃক মৌখিক নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের উক্তরূপ ছুটি মঞ্জুরকারী কর্মকর্তা কর্তৃক বিষয়টি ফরম-১৯ ও ফরম-২০ লিপিবদ্ধ করিয়া উহাতে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের স্বাক্ষর বা টিপসহি গ্রহণ করিতে হইবে।
(৪) প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা গ্রহণকারী শ্রমিকের তথ্য ফরম-২১ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৫) প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা গ্রহণকারী শ্রমিকের তথ্যসংবলিত বার্ষিক রিটার্ন পরবর্তী বৎসরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট দাখিল করিতে হইবে। নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক ব্যবস্থা
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- নোটিশ ও পরিশোধ পদ্ধতি ইপিজেড শ্রম বিধিমালা/প্রবিধান অনুযায়ী; BEPZA-র নির্দেশনা ফাইলে রাখুন।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
EPZ: নোটিশ ও পরিশোধ পদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত। BLA ধারা ৪৭-এ পদ্ধতি ও ৩ কর্মদিবসের সময়সীমা আইনেই আছে।
BLA ধারা ৪৭ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৪৭ · প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পরিশোধ সংক্রান্ত পদ্ধতি
৪৭৷ (১) কোন অন্তঃসত্ত্বা নারী এই আইনের অধীন প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবার অধিকারী হইলে তিনি যে কোন দিন মালিককে লিখিত বা মৌখিকভাবে এই মর্মে নোটিশ দিবেন যে, নোটিশের ১[৬০ (ষাট) দিনের] মধ্যে তাহার সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা আছে, এবং উক্ত নোটিশে তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই সুবিধা যিনি গ্রহণ করিবেন তাহার নামও উল্লেখ থাকিবে৷
(২) কোন ২[প্রসূতি] উক্তরূপ কোন নোটিশ প্রদান না করিয়া থাকিলে তাহার সন্তান প্রসবের সাত দিনের মধ্যে তিনি উক্তরূপ নোটিশ প্রদান করিয়া তাহার সন্ত্মান প্রসব সম্পর্কে মালিককে অবহিত করিবেন৷
৩[(৩) উপ-ধারা (১) অথবা (২) এ উল্লিখিত নোটিশ প্রাপ্তির পর মালিক সংশ্লিষ্ট নারীকে-
(ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশের ক্ষেত্রে, উহা প্রদানের তারিখের পরের দিন হইতে প্রাপ্য প্রসূতি কল্যাণ সুবিধাসহ ১২০ (একশত বিশ) দিন পর্যন্ত কাজে অনুপস্থিত থাকিবার জন্য অনুমতি প্রদান করিবেন;
(খ) উপ-ধারা (২) এর অধীন নোটিশের ক্ষেত্রে, সন্তান প্রসবের তারিখ হইতে প্রাপ্য প্রসূতি কল্যাণ সুবিধাসহ ১২০ (একশত বিশ) দিন পর্যন্ত কাজে অনুপস্থিত থাকিবার জন্য অনুমতি প্রদান করিবেন।]
(৪) কোন মালিক সংশ্লিষ্ট নারীর ইচ্ছানুযায়ী নিম্নলিখিত যে কোন পন্থায় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, যথাঃ-
(ক) যে ক্ষেত্রে কোন রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের নিকট হইতে এই মর্মে প্রাপ্ত প্রত্যয়নপত্র পেশ করা হয় যে, নারী ৪[৬০ (ষাট) দিনের] মধ্যে সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা আছে, সে ক্ষেত্রে প্রত্যয়ন পত্র পেশ করার পরবর্তী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে প্রসব পূর্ববর্তী ৫[৬০ (ষাট) দিনের] জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, এবং নারীর সন্তান প্রসবের প্রমাণ পেশ করার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে অবশিষ্ট সময়ের জন্য প্রদেয় উক্তরূপ সুবিধা প্রদান করিবেন; অথবা
(খ) মালিকের নিকট সন্ত্মান প্রসবের প্রমাণ পেশ করার পরবর্তী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে সন্তান প্রসবের তারিখসহ উহার পূর্ববর্তী ৬[৬০ (ষাট) দিনের] জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন, এবং উক্ত প্রমাণ পেশের পরবর্তী ৭[৬০ (ষাট) দিনের] মধ্যে অবশিষ্ট মেয়াদের সুবিধা প্রদান করিবেন; ৮[ ***]
(গ) সন্তান প্রসবের প্রমাণ পেশ করার পরবর্তী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে উক্ত সম্পূর্ণ সময়ের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন ৯[ ; অথবা
(ঘ) কোনো নারী শ্রমিক মালিককে নোটিশ দেওয়ার পূর্বেই যদি সন্তান প্রসব করিয়া থাকেন তাহা হইলে সন্তান প্রসবের প্রমাণ পেশ করিবার পরবর্তী ৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে উক্ত সম্পূর্ণ সময়ের জন্য প্রদেয় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধাসহ প্রসব পরবর্তী ১০[৬০ (ষাট) দিন] পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকিবার অনুমতি দিবেন:]
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন যে প্রসূতি কল্যাণ বা উহার কোন অংশ প্রদান সন্তান প্রসবের প্রমাণ পেশের উপর নির্ভরশীল, সেরূপ কোন প্রমাণ কোন নারী তাহার সন্তান প্রসবের তিন মাসের মধ্যে পেশ না করিলে তিনি এই সুবিধা পাইবার অধিকার হইবেন না ১১[ :
আরো শর্ত থাকে যে, প্রসূতি কল্যাণ ছুটিতে যাইবার নির্ধারিত তারিখের পূর্বে কোনো নারী শ্রমিকের গর্ভপাত ঘটিলে তিনি কোনো প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবেন না, তবে স্বাস্থ্যগত কারণে ছুটির প্রয়োজন হইলে তিনি তাহা ভোগ করিতে পারিবেন।]
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন যে প্রমাণ পেশ করিতে হইবে, উক্ত প্রমাণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর অধীন প্রদত্ত জন্ম রেজিস্টারের সত্যায়িত উদ্ধৃতি, অথবা কোন রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের প্রত্যয়নপত্র, অথবা মালিকের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্য কোন প্রমাণ হইতে পারিবে।
EPZ ধারা ৩১ · প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পরিশোধ সংক্রান্ত পদ্ধতি
৩১। কোনো অন্তঃসত্ত্বা মহিলা শ্রমিক এই আইনের অধীন প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাইবার অধিকারী হইলে তিনি মালিককে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ প্রদান করিবেন এবং মালিক সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিককে ছুটিসহ প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা প্রদান করিবেন।