বিধি ১০৫ — বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ
বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ
(১) আইনের ধারা ৩৬ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক স্থায়ী শ্রমিকের জন্য গ্রুপ বিমা চালু করিবেন।
(২) উক্ত বিমা ব্যবস্থা চালু করিবার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোনো প্রতিষ্ঠিত বিমা কোম্পানির সহিত মালিক চুক্তি করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রুপ বিমা শ্রমিকের মৃত্যু এবং স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম মালিক পরিশোধ করিবেন এবং এই জন্য শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা যাইবে না ও বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বিমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।
(৪) চাকরিরত অবস্থায় যে কোনো কারণে শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে উক্ত বিমার অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।
(৫) বিমা হইতে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা আইন ও এই বিধিমালা অন্যত্র প্রদত্ত আর্থিক প্রাপ্যতার বিকল্প হইবে না।
(৬) শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা দাবি আদায় করিবার দায়িত্ব হইবে মালিকের এবং মালিক উক্ত বিমা দাবি হইতে আদায়কৃত অর্থ শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অন্য বিধি-বিধানে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই বিধি অনুযায়ী কোনো বিমা দাবি উত্থাপিত হইলে উক্ত দাবি উত্থাপনের ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করিবেন।
(৭) উপ-বিধি (১), (২), (৩), (৪), (৫) এবং (৬) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৭২ অনুযায়ী জোনে কর্মরত শ্রমিকের কল্যাণের জন্য অংশগ্রহণ তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বিমা চালু করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বিমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৬ · ধারা ১৭২
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি