বিধি ৬৬ — বর্জ্য পদার্থ অপসারণ
বর্জ্য পদার্থ অপসারণ
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(ক) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে উহার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করিবার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে এবং সকল বর্জ্য ও তরল অপসারণের ব্যবস্থা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অনুযায়ী হইতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে শ্রমিকের স্বাস্থ্যের বিষয় বিবেচনা করিয়া বর্জ্য অপসারণে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) তরল বর্জ্য ও পানি বহনকারী সকল নর্দমা অভেদ্য পদার্থ দ্বারা মজবুত ও টেকসই ঢাকনাযুক্ত অবস্থায় নির্মাণ করিতে হইবে যাহাতে নিয়মিত পানি প্রবাহ থাকিবে এবং উক্ত বর্জ্য দূষণমুক্ত করিয়া অপসারণ করিতে হইবে।
(৪) পরিদর্শক উপ-বিধি (১), (২) ও (৩) এ বর্জ্য অপসারণে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইলে উক্ত কারখানার বর্জ্য অপসারণ যথাযথ মর্মে অনুমোদন প্রদান করিবেন।
(৫) তরল বর্জ্য অন্তত মাসে ১ (এক) বার (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পরীক্ষা করিতে হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি