বিধি ১৫ — ছুটির পদ্ধতি
ছুটির পদ্ধতি
(১) কোনো শ্রমিক ছুটিতে যাইবার ইচ্ছা পোষণ করিলে তাহার মালিকের নিকট লিখিতভাবে দরখাস্ত করিবে এবং উহাতে তাহার ছুটিতে অবস্থানকালীন ঠিকানার উল্লেখ থাকিবে।
(২) মালিক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা অনুরূপ দরখাস্ত প্রাপ্তির ৭(সাত) দিনের মধ্যে অথবা ছুটি আরম্ভ হইবার ২ (দুই) দিন পূর্বে, যাহা আগে সঙ্ঘটিত হয়, তাহার আদেশ প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, জরুরি কারণ বশতঃ যদি প্রার্থিত ছুটি দরখাস্তের তারিখে অথবা উহার ৩(তিন) দিনের মধ্যে আরম্ভ করিতে হয়, তাহা হইলে অনুরূপ আদেশ দরখাস্ত প্রাপ্তির দিনেই প্রদান করিতে হইবে।
(৩) প্রার্থিত ছুটি মঞ্জুর করা হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে একটি ছুটির পাশ প্রদান করিতে হইবে।
(৪) প্রার্থিত ছুটি নামঞ্জুর বা স্থগিত করা হইলে নামঞ্জুর বা স্থগিতাদেশের কারণসহ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে প্রার্থিত ছুটি আরম্ভ হইবার তারিখের পূর্বে অবহিত করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে রক্ষিত রেজিস্টারে উহা লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৫) কোনো শ্রমিক ছুটিতে যাইবার পর ছুটির মেয়াদ বর্ধিত করিতে চাহিলে তাহাকে, ছুটি পাওনা সাপেক্ষে, ছুটি শেষ হইবার যুক্তিসঙ্গত সময় পূর্বে নিবন্ধনকৃত ডাকযোগে, সরাসরি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে স্বাক্ষরসহ মালিকের নিকট দরখাস্ত করিতে হইবে এবং মালিককে ছুটি বর্ধিতকরণের আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিবার বিষয়টি শ্রমিকের ছুটির ঠিকানায় একইভাবে জানাইতে হইবে।
(৬) প্রতিষ্ঠানের বাহিরে অবস্থানকালে অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটির প্রয়োজন হইলে লিখিতভাবে বা অন্য কোনো ডিজিটাল পদ্ধতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবহিত করিতে হইবে এবং পরবর্তীতে কাজে যোগদানের সময় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা প্রদান করিতে হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৯
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি