বিধি ১৫১ — ক্ষতিপূরণের অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত হইবার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা
ক্ষতিপূরণের অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত হইবার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা
(১) যদি । কোনো শ্রমিক মালিক কর্তৃক নির্দেশিত অথবা ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক কোনো সময়ে নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তিনি কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের নিকট নিজেকে হাজির করিতে অস্বীকার করেন অথবা অন্য কোনোভাবে উহাতে বাঁধা প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত অস্বীকৃতি বা বাঁধা প্রদানের সময় তাহার ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত থাকিবে, যদি না অস্বীকৃতির ক্ষেত্রে, নিজেকে উক্তরূপ হাজির করার ব্যাপারে তিনি পর্যাপ্ত কারণ দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত হইয়াছেন মর্মে সন্তুষ্ট করাইতে পারেন।
(২) যদি কোনো শ্রমিক যেই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তাহাকে হাজির হইবার কথা উক্ত সময় অতিক্রান্ত হইবার পূর্বেই ইচ্ছাকৃতভাবে পরীক্ষিত না হইয়া তাহার কর্মস্থলের এলাকা ত্যাগ করিয়া চলিয়া যান তাহা হইলে তিনি ফিরিয়া না আসিবার পর্যন্ত অথবা নিজেকে উক্তরূপ পরীক্ষার জন্য হাজির না করা পর্যন্ত তাহার ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত থাকিবে।
(৩) যে শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার উপ-বিধি (১) বা (২) অনুযায়ী সাময়িকভাবে স্থগিত হইয়াছে তিনি যদি সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিবার জন্য আবেদন করেন, তবে মালিক আবেদন প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (১) ও (২) এর অধীন ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকার স্থগিত হইয়াছে এইরূপ কোনো শ্রমিক যদি উক্ত কোনো উপ-বিধির অধীন নির্দেশিত কোনো চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য নিজেকে হাজির না করিবার সময় মৃত্যু বরণ করেন তাহা হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, মৃত শ্রমিকের পোষ্যকে ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান পারিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি