বিধি ৬৯ — ধূলা, বালি ও ধোঁয়া
ধূলা, বালি ও ধোঁয়া
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(খ) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে কোনো প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে যদি
(ক) কোনো ধূলা, বালি বা ধোঁয়া বা অন্য কোনো দূষিত বস্তু এইরূপ প্রকৃতির বা পরিমাণে নির্গত হয় যাহার কারণে সেই স্থানে কর্মরত শ্রমিকের স্বাস্থ্যহানি হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তবে কোনো কর্মকক্ষে যাহাতে উহা জমিতে না পারে এবং শ্রমিকের নিঃশ্বাসের সহিত শরীরে প্রবেশ করিতে না পারে উহার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে; এবং
(খ) দফা (ক) এর উদ্দেশ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার জন্য কোনো নির্গমন যন্ত্রপাতি স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে উক্ত স্বাস্থ্যহানিকর ধূলা, বালি, ধোঁয়া বা অন্য দূষিত বস্তু রোধ করা সম্ভব হয় এবং উহা উৎপাদিত ধূলা ও বালির উৎসের যতদূর সম্ভব নিকটবর্তী স্থানে স্থাপন করিতে হইবে এবং ঐ স্থান যতদূর সম্ভব ঘিরিয়া রাখিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) বাস্তবায়নের জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে বা কর্মকক্ষে সৃষ্ট ধুলা-বালি ও ধোঁয়ার কার্যকর নির্গমনের লক্ষ্যে ডাস্ট সাকারসহ উপযুক্ত নির্গমন যন্ত্র স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা এইরূপে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে কোনো ক্রমেই ধুলা-বালি বা ধোঁয়া কর্মকক্ষে বিস্তার করিতে না পারে।
(৩) প্রতিষ্ঠানের ধুলা-বালি ও ধোঁয়াময় স্থানে কর্মরত প্রত্যেক ব্যক্তিকে মাস্ক ব্যবহার করিতে হইবে।
(৪) কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো অন্তর্দহ ইঞ্জিন চালানো যাইবে না যদি না উহার বাষ্প নির্গমন পথ উন্মুক্ত বায়ুর দিকে হয় এবং কোনো অন্তর্দহ ইঞ্জিন কোনো কর্মকক্ষে চালানো যাইবে না যদি না শ্রমিকের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হইতে পারে উহা হইতে নির্গত এইরূপ ধোঁয়া জমা না হইবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
(৫) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্মকক্ষে ধুলা-বালি ও ধোঁয়ার উৎক্ষেপনের সর্বোচ্চ মান নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি